Posts

আবর্জনা সরাতে মহাকাশযান প্রেরণ করল জাপান

Image

৩৬৫ দিনই এদেশের মানুষের মানবাধিকার হরণের দিবস : খালেদা জিয়া

Image
৩৬৫ দিনই এদেশের মানুষের মানবাধিকার হরণের দিবস বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বাঞ্ছারামপুরের ফেরিঘাটে যুবলীগ নেতার অবৈধ ভিটি উচ্ছেদ করলেন ভ্রাম্যমান আদালত

Image
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কড়িকান্দি ফেরিঘাটের রাস্তা

জামায়াতের সঙ্গ বিএনপিকে অবশ্যই ত্যাগ করতে হবে-এ.বি তাজুল ইসলাম এমপি

Image
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এ বি এম তাজুল ইসলাম বলেছেন, তিনি যদি জামায়াতের সঙ্গ ছাড়েন তাহলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপের বিষয়টি বিবেচনা করবেন। জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ না করলে বিএনপির সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে না। শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়োজিত মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মহান বিষয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে শহেরর ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সপ্তাহব্যাপী এ বিজয় মেলার উদ্বোধন করা হয়। তাজুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ঠিক তখনই খালেদা জিয়া ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, বাংলাদেশটা আমাদের সকলের, আপনি যে মন্ত্রণালয় চান আপনাকে সেই মন্ত্রণালয় দেয়া হবে। তিনি (খালেদা জিয়া) সেই আহ্বানে সাড়া না দিয়ে হরতাল-অবরোধ ডাকলেন। কিন্তু তার সেই হরতাল-অবরোধে সাধারণ মানুষ কোনো সাড়া দেননি। তিনি বলেন, এখন খালেদা জিয়া বলছেন তাক...

ব্রাক্ষনবাড়িয়ায় শীতকালীন শাক-সবজির আমদানী থাকলেও দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে

Image
ব্রাক্ষনবাড়িয়ার হাট-বাজার গুলোতে শীত কালীন শাক-সবজির ব্যাপক আমদানী থাকলেও দাম সাধারণ ক্রেতাদের

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস আজ

Image
আজ ৮ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে পাকিস্তানি হানদার বাহিনী থেকে মুক্ত হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া। জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলাকে হানাদার মুক্ত করার পর মুক্তিবাহিনীর একটি অংশ দক্ষিণ দিক থেকে, মিত্রবাহিনীর ৫৭ তম মাউন্টের ডিভিশন আখাউড়া-ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেললাইন ও উজানিসার সড়ক দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের চারপাশে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী শক্ত অবস্থানে থাকায় হানাদার বাহিনী পালিয়ে যাওয়ার সময় ৬ ডিসেম্বর রাজাকারদের সহায়তায় নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়। সেসময় তৎকালীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের অধ্যাপক কে.এম লুৎফুর রহমানসহ কারাগারে আটকে রাখা অর্ধশত বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষকে পৌর শহরের কুরুলিয়া খালের পাড়ে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী। শহর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় পাকবাহিনীর সদস্যরা কলেজের হোস্টেল, অন্নদা স্কুল বোর্ডিং, বাজার ও গুদামসহ বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ করে। পরদিন ৭ ডিসেম্বর রাতের আঁধারে পাক হানাদার বাহিনীর সদস্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ছেড়ে আশুগঞ্জের দিকে পালাতে থাকে। ...

প্রেমের টানে চাচীকে নিয়ে ভাতিজার পলায়ন

Image
জল্লা গ্রামের স্ত্রীর পরকিয়ার জের ধরে স্বামী আত্মহত্যা রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ভাতিজার সাথে পালিয়েছে